Smart tv listening to you: প্রযুক্তির যুগে আমাদের ঘর এখন ‘স্মার্ট’। স্মার্ট লাইট, স্মার্ট স্পিকার আর সবচাইতে জনপ্রিয় হলো স্মার্ট টিভি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ঘরে রাখা এই শখের টিভিই হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ফাঁসের হাতিয়ার? সম্প্রতি বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে যে কিছু স্মার্ট টিভি তাদের ইউজারদের ব্যক্তিগত কথা রেকর্ড করছে এবং তা থার্ড […]
Smart tv listening to you: প্রযুক্তির যুগে আমাদের ঘর এখন ‘স্মার্ট’। স্মার্ট লাইট, স্মার্ট স্পিকার আর সবচাইতে জনপ্রিয় হলো স্মার্ট টিভি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ঘরে রাখা এই শখের টিভিই হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ফাঁসের হাতিয়ার? সম্প্রতি বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে যে কিছু স্মার্ট টিভি তাদের ইউজারদের ব্যক্তিগত কথা রেকর্ড করছে এবং তা থার্ড পার্টি মানে তৃতীয় পক্ষকে পাঠাচ্ছে। Survey Thank you for completing the survey! Smart TV কীভাবে আড়ি পাতে? স্মার্ট টিভিতে থাকে ‘ভয়েস রিকগনিশন’ বা ‘ভয়েস কমান্ড’ ফিচার। এটি মূলত আপনার নির্দেশ যেমন: ‘ইউটিউব ওপেন করো’ শোনার জন্য সবসময় সক্রিয় থাকে। অনেক সময় এই সিস্টেমটি ভুলবশত সাধারণ আলাপকেও কমান্ড মনে করে রেকর্ড করে ফেলে। এই তথ্যগুলো অনেক সময় বিজ্ঞাপন কোম্পানি বা সার্ভারে চলে যায়, যা পরে আপনার পছন্দ-অপছন্দ বুঝতে এবং আপনাকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার করা হয়। আরও পড়ুন: সোজা 21 হাজার টাকা সস্তা হয় গেল Google এর Pixel স্মার্টফোন, অর্ধেক দামে কেনার সুযোগ Smart TV থেকে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন? 5টি সহজ উপায় আপনি যদি চান আপনার ব্যক্তিগত কথা ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই থাকুক, তবে নিচের সেটিংসগুলো এখনই বদলে ফেলুন: ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট বন্ধ রাখা: যদি খুব প্রয়োজন না হয়, তবে টিভির সেটিংস থেকে ‘Voice Recognition’ বা ‘Voice Assistant’ অপশনটি বন্ধ করে দিন। এতে টিভির মাইক্রোফোন আপনার কথা রেকর্ড করার সুযোগ পাবে না। এসিআর (ACR) ফিচার অফ করা: স্মার্ট টিভির একটি বিশেষ প্রযুক্তি হলো ACR (Automatic Content Recognition)। এটি আপনি কী দেখছেন তা ট্র্যাক করে। সেটিংসের ‘Privacy’ বা ‘Terms and Policy’ সেকশনে গিয়ে এই অপশনটি দেখা যাবে, যা অফ করে দিন। মাইক্রোফোন ও ক্যামেরায় স্টিকার ব্যবহার: অনেক প্রিমিয়াম স্মার্ট টিভিতে ক্যামেরা এবং বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন অফার করা হয়ে। আপনি যদি টিভিতে ভিডিও কলিং ফিচার ব্যবহার না করেন, তবে ক্যামেরার লেন্সের ওপর একটি কালো টেপ বা স্টিকার লাগিয়ে দিন। এটি সবচেয়ে সুরক্ষিত উপায়। অ্যাপ পারমিশন চেক করা: স্মার্ট টিভিতে অনেক থার্ড পার্টি অ্যাপ থাকে যা আপনার ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন ব্যবহারের পারমিশন চায়। মোবাইলের মতোই টিভির সেটিংস থেকে অ্যাপ পারমিশনগুলো দেখে নিন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস বন্ধ করে দিন। টিভি আপডেট রাখা: কোম্পানিগুলো প্রায়ই নিরাপত্তার বজায় রাখতে সফটওয়্যার আপডেট দেয়। তাই সবসময় আপনার টিভির ফার্মওয়্যার বা ওএস (OS) আপডেট রাখুন। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করছে ঠিকই, কিন্তু সচেতন না থাকলে এটি বিপদের কারণও হতে পারে। স্মার্ট টিভির সব সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি নিজের গোপনীয়তা রক্ষায় এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মনে রাখবেন, আপনার ঘর আপনার নিরাপদ আশ্রয়, একে কোনো টেক-কোম্পানির নজরদারির জায়গা হতে দেবেন না। আরও পড়ুন: Airtel দিল আবারও বড় ঝটকা, একধাপে 40 টাকা দামি হয় গেল জনপ্রিয় 84 দিনের রিচার্জ প্ল্যান সবচাইতে ভয়ের বিষয় হলো, এই নজরদারির সেটিংসগুলো টিভিতে বাই ডিফল্ট (আগে থেকেই) চালু থাকে। অর্থাৎ, আপনি নিজে থেকে বন্ধ না করলে টিভি একনাগাড়ে আপনার তথ্য সংগ্রহ করতেই থাকবে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আপনি চাইলে টিভির সেটিংস অপশনে গিয়ে এই ট্র্যাকিং এবং ভয়েস রেকর্ডিং ফিচারগুলো সহজেই বন্ধ করে দিতে পারেন।
